বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২০

কার্তিক ৬ ১৪২৭

ই-পেপার
দৈনিক আমার সংবাদ :: Daily Amar Sangbad বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২০ | কার্তিক ৬ ১৪২৭

বিতর্কে মোবাইল কোর্টের বিচার!

Writter

শরিফ রুবেল

১৮:১৯, ৯ মে ২০২০   আপডেটঃ ১৯:৫২, ১৩ জুন ২০২০

বিতর্কে মোবাইল কোর্টের বিচার!

  *৫ বছরে ৭৫টি আক্রোশমূলক সাজা প্রদান*নেই সাংবিধানিক বৈধতা চলছে মর্জি মাফিক*আইনের বাহিরে গিয়েও অযাচিত ক্ষমতা প্রয়োগ *নিরাপরাধরাও পড়ছে মোবাইল কোর্টের রোষানলে*ম্যাজিস্ট্রেটদের আইন জ্ঞান কম, প্রশিক্ষণ দরকার: হাইকোর্ট *মোবাইল কোর্টে সুপ্রিমকোর্টের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত: ড. শাহদীন মালিক আসামী আছে, উকিল

  *৫ বছরে ৭৫টি আক্রোশমূলক সাজা প্রদান*নেই সাংবিধানিক বৈধতা চলছে মর্জি মাফিক*আইনের বাহিরে গিয়েও অযাচিত ক্ষমতা প্রয়োগ *নিরাপরাধরাও পড়ছে মোবাইল কোর্টের রোষানলে*ম্যাজিস্ট্রেটদের আইন জ্ঞান কম, প্রশিক্ষণ দরকার: হাইকোর্ট *মোবাইল কোর্টে সুপ্রিমকোর্টের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত: ড. শাহদীন মালিক আসামী আছে, উকিল নেই। সাক্ষীরও দরকার হয় না। যিনি বিচার করবেন সেই বিচারকও নেই।কাঠগড়াও নেই। কিন্তু আদালত আছে, বিচারও চলে। তবে উক্ত আদালতে কোনো আসামির জামিন হয় না। কেউ খালাসও পান না। এমন নজিরও নেই। শুধুই শাস্তি হয়। এ আদালতে আসামি নিজের সাক্ষ্য সবুদ উপস্থাপন করতে পারে না। এমনকি যিনি সাক্ষি তিনিই উকিল আবার বিচারভারও তার উপর। এখানে শুধু আসামি নয়, কথা বলার সুযোগ নেই কারো। ফলে আইনি ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার ও অপব্যবহার দেখারও কেউ নেই। আর এই ব্যতিক্রমী আদালতের নাম ভ্রাম্যমাণ আদালত বা মোবাইল কোর্ট। নামে আদালত হলেও সাজা দেয়ার ধরন বিদ্যামান বিচারব্যবস্থার ও আদালতের সাথে সাংঘর্ষিক ও অসাংবিধানিক এমনটিই দাবি করছেন আইনজীবীরা। প্রকৃতপক্ষে মোবাইল কোর্ট মানেই শাস্তি। ফলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে যেন বিতর্কেরও শেষ নেই। অধিকাংশ কাজে প্রশংসিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বেশকিছু ঘটনায় আবার বিতর্কিত ও সমালোচিত মোবাইল কোর্ট। কারণ শিক্ষক, ডাক্তার, সাংবাদিক, আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা এমনকি জজ কোর্টের কর্মচারীও পার পাননি ভ্রাম্যমাণ আদালতের রোষানল থেকে। নিয়োজিত ম্যাজিস্ট্রেটগণও একের পর এক অযাচিত ক্ষমতা প্রয়োগ করেই যাচ্ছেন। যেন দেখার কেউ নেই। মাঝেমধ্যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে গিয়ে মোবাইল কোর্ট আইনের বিধানও মানা হচ্ছে না। মুলত বর্তমানে মোবাইল কোর্ট চলছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশের উপর ভর করে ৷ কারণ হাইকোর্ট অনেক আগেই মোবাইল কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করে বাতিলের রায় দিয়েছে৷ এমন অবস্থায়ও মোবাইল কোর্টের অপব্যহার থামছে না৷ বহুমুখী বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছে এই আদালত৷ প্রায়শই নিজস্ব আইন ভঙ্গ করে এর বাহিরে গিয়ে সাজা দিয়ে হচ্ছে সমালোচিত। আইনানুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্ট আইনে তফসিলভূক্ত অপরাধগুলোর বিচার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত। তালিকাভুক্ত অপরাধের বাইরে বিচার করার এখতিয়ার নেই। তারপরেও কিছুতেই তোয়াক্কা করছেনা। হাইকোর্ট বারবার তাদের এখতিয়ার বিহীন কার্যক্রমের লাগাম টেনে ধরতে নানা ধরনের নির্দেশনা দিলেও সেগুলো উপেক্ষিতই রয়ে গেছে। তারই উদাহরণ মাস দুয়েক আগে কুড়িগ্রামের ডিসি’র ব্যক্তিগত আক্রোশে গভীর রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাংবাদিককে কারাদন্ড দেয়া। ওই ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার আইনজীবীকে কারাদন্ড দিলেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। গত ২ মে টিসিবি’র পণ্য বিক্রিতে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় বরিশাল জজ কোর্টের আইনজীবী রবিউল ইসলাম রিপনকে সাজা দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমূল হুদা। এমনকি সাজা দেয়ার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বলেন ‘আমি আমার ক্ষমতা দেখালাম, পারলে আপনি আপনার ক্ষমতা দেখান’। মোবাইল কোর্টের অপব্যবহারের এরকম আরো অনেক উদাহরণ আছে৷ সংবাদ মাধ্যমের খবরে গত পাঁচ বছরে অন্তত ৭৫টি আক্রোশমূলক সাজার অভিযোগ পাওয়া গেছে৷ এদিকে ভ্রাম্যামাণ আদালতে ব্যক্তিগত আক্রোশে সাজা দেয়ায় আইনজীবী, সাংবাদিক, চিকিৎসক, শিক্ষক ও সুশীল সমাজের মাঝে চলছে চরম অসন্তোষ। এমন অবস্থায় আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর ধারা- ৬ ও ৭ অনুযায়ী , যাকে সাজা দেয়া হবে তাকে অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে নিজের দোষ স্বীকার করতে হবে। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি সেচ্ছায় দোষ স্বীকার না করে তাহলে তাকে সাজা দেয়া হবে অবৈধ ও আইন বিরোধী। ঘটনার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবশ্যই ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। এবং তার সামনে অপরাধটি সংগঠিত হতে হবে। নচেৎ তিনি কাউকে সাজা দিতে পারবেন না। কিন্তু সচারচার দেখা যায় পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করেন আর তিনি মহা-সমারোহে উক্ত অভিযুক্তকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠান। এটা নিয়মবহির্ভূত। এতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটই শাস্তি পাওয়ার যোগ্য। বিশ্লেষকরা বলছেন, মোবাইল কোর্ট অসাংবিধানিক, তাই এটি বাতিলই একমাত্র সমাধান৷ আর হাইকোর্ট সঠিক সিদ্ধান্তটাই নিয়েছেন। মূলত এ আইনের ধারায়ই অপব্যহারের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে৷ কারণ এই আইনে যে ম্যাজিষ্ট্রেট আটক করেন, তিনিই সাক্ষ্য প্রমাণ দেন এবং তিনিই শাস্তি দেন ৷ ফলে তিনি যা খুশি তা করতে পারেন৷ প্রচলিত আইনে পুলিশ আটক করে৷ শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা আদালতের৷ কিন্তু যদি সব ক্ষমতা একজনের হাতে থাকে তাহলে অপব্যবহার ঠেকানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। আইনজীবীরা বলেন, উচ্চ আদালতে আইনটি অবৈধ ঘোষণার পর সরকারের উচিত ছিল এর কার্যক্রম সীমিত এবং বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা। তারা বলেছেন, যেহেতু হাইকোর্ট এর কয়েকটি ধারা সংবিধানের বেশ কয়েকটি অনুচ্ছেদের পরিপন্থি বলে ঘোষণা করেছেন, সেহেতু সংবিধানের প্রতি সম্মান দেখানো রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব। তাই ফের শুনানি হলে আপীলেও এটা বাতিল হয়ে যাবে। মোবাইল কোর্ট নিয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে গত ১১ মার্চ বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ এবং বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ একটি রিটের রায় প্রদানকালে বলেন, ম্যাজিসেট্রটদের আইন জ্ঞান কম। তাদের প্রশিক্ষণ দরকার। ১২১ জন শিশুকে ভ্রাম্যমান আদালতে দেয়া শাস্তিকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে দেয়া রায়ে হাইকোর্ট উপরোক্ত মন্তব্য করেন। হাইকোর্টের এ মন্তব্যের তিন দিনের মাথায় ১৩ মার্চ রাতে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট মধ্য রাতে দরজা ভেঙ্গে তুলে নিয়ে নির্যাতন চালায় স্থানীয় সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের ওপর। অভিযোগ-আরিফুলের বাসায় আধা বোতল মদ এবং দেড়শ’ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার। গত ২৯ জানুয়ারি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান একবর সতর্ক করেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক)র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আক্তার এবং ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের নকল শাখার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ মাসুকাত রাব্বিকে। গত বছর ১৪ নভেম্বর একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন জেসমিন আক্তার। ওই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য এক মাসেও রায়ের কপি পায়নি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি। পরে তিনি উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত তাদের সতর্ক করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তথা ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকাণ্ড নিয়ে এভাবে প্রায়ই হস্তক্ষেপ করতে হয় উচ্চ আদালতকে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কার্যক্রম যখন সংবিধান পরিপন্থি এবং প্রচলিত আইনের ঊর্ধ্বে চলে যায়-তখনই সেটি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এ বিষয়ে সুপ্রিমকোর্ট বারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল হালিম বলেন, ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার পর নতুন প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষাপটে মোবাইল কোর্ট অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ২০০৯ সালে এটি আইনে পরিণত হয়। পরবর্তীতে আইনটির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা হয়। মামলাটি এখনো আপিল বিভাগে বিচারাধীন। ভেজাল প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ বন্ধ, মাদক কারবারিকে দমন, ইভটিজিং প্রতিরোধসহ বিভিন্ন কাজে প্রশংসা কুড়িয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। একইসঙ্গে বদনাম কুড়াচ্ছে আদালতের দায়িত্বহীন আচরণ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারিদের স্বেচ্ছাচারিতা, বাড়াবাড়ি এমনকি চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িয়ে। ভ্রাম্যমাণ আদালত বন্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম বলেন, মোবাইল কোর্টের অপব্যবহারের প্রশ্ন নয়৷ প্রশ্নটা হলো সাংবিধানিক৷ মোবাইল কোর্ট সংবিধানের মৌলিক নীতির পরিপন্থি। কারণ বিচারকাজে নিয়োজিত নয় এমন কেউ বিচার করতে পারেন না৷ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটরা বিচারক নন৷ তাহলে তারা কিভাবে বিচার করতে পারেন। হাইকোর্ট মোবাইল কোর্টকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে৷ এটা এখন আপিল বিভাগে আছে৷ তিনি আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কথা কাটাকাটির জের ধরে চিকিৎসককে জেল দেয়া হলো৷ এর আগে মোবাইল কোর্টের ভয় দেখিয়ে শিক্ষককে পা ধরতে বাধ্য করা হয়েছে, এমপির বিরুদ্ধে মন্তব্য করায় এই কোর্টের মাধ্যমে জেল দেয়া হয়েছে৷এভাবেই এর অপব্যবহার করা হয়৷ এর অপব্যবহার বন্ধ করা যাবে না৷ তাই এটা বাতিলই সমাধান৷ বিচারের জন্য আদালত আছে৷ বিচারক আছে৷ সেখানে বিচার হবে৷ বিচার বিভাগ আলাদা৷ প্রশাসনের কাজ বিচার করা নয়৷ এই অধিকারও তাদের নাই৷ এ প্রসঙ্গে দেশবরেণ্য আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, মোবাইল কোর্টের ওপর সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণ নেই। এজন্য হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে নির্বাহী বিভাগ। আমি মনে করি মোবাইল কোর্টের ওপর সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত। এক জনকে জেল-জরিমানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো তো বিচারিক ক্ষমতার প্রয়োগ। বিচারিক ক্ষমতা তো সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধান ছাড়া হতে পারে না। এভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা আইনের মূলনীতির পরিপন্থি। সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার পরিচালনা করা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও পৃথকীকরণের পরিপন্থি। তাই সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে ও নিয়ন্ত্রণে থেকে কীভাবে মোবাইল কোর্ট কাজ করতে পারে সেটা খুঁজে বের করতে হবে। ড . শাহদীন মালিক সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত এরকম একটি মামলা শুনানি না করে ফেলে রাখাকে দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন। ঝুলে আছে সাংবিধানিক বৈধতা : ২০১১ সালে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিক কামরুজ্জামান খানকে। মোবাইল কোর্টের দেয়া এ কারাদন্ডের পর তাকে ৬ দিন কারাভোগ করতে হয়। ২০ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। বেরিয়ে এসে তিনি মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট’র ৫ ধারা এবং ৬(১), ৬(২), ৬(৪), ৭, ৮(১), ৯, ১০, ১১, ১৩, ১৫ ধারা-উপধারা চ্যালেঞ্জ করেন। পরে আরো ১৯ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি পৃথক আরো ৩টি রিট করেন। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন এবং পরে রুল চূড়ান্ত হয়। এর ফলে ২০১৭ সালের ৫ মে মোবাইল কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। পরে সরকার লিভ টু আপিল করলে আদালত ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি সরকারকে নিয়মিত আপিল করতে বলেন। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট চলবে-মর্মে আদেশ দেন। এই আদেশ বলেই এখন সারা দেশে মোবাইল কোর্ট সক্রিয় রয়েছে। আমারসংবাদ/এসআর/এআই##!!##

আমার সংবাদ

Lifebouy
ads
Lifebouy
Capture
Capture